সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে খামারি ও কৃষকদের প্রধান আতঙ্কের নাম ‘গরু চুরি’। গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এই গবাদিপশু রক্ষায় এবার কঠোর অবস্থানে নেমেছে তাড়াশ থানা পুলিশ। চোরের উপদ্রব শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে নৈশকালীন টহল, বসানো হয়েছে চেকপোস্ট এবং প্রত্যন্ত এলাকার পাহারাদারদের সাথে বাড়ানো হয়েছে সমন্বয়।
উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, গ্রামীণ রাস্তা এবং উপজেলার সীমানা এলাকাগুলোতে পুলিশের রাত্রিকালীন মোবাইল টিম ও মোটরসাইকেল টহল জোরদার করা হয়েছে।
গভীর রাতে সন্দেহভাজন ট্রাক, নসিমন, করিমন বা পিকআপ ভ্যান তল্লাশি করতে কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে আকস্মিক চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
ইউনিয়নে বিট অফিসারদের মাধ্যমে সাধারণ কৃষক ও খামারিদের সচেতন করা হচ্ছে, যেন তারা গোয়ালঘরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেন এবং অচেনা কোনো ব্যক্তির আনাগোনা দেখলে পুলিশকে জানান।
তাড়াশে গরু চুরি রোধে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো হাবিবুর রহমান বলেন, কৃষক ও খামারিদের সারাবছরের সম্বল এই গবাদিপশু। তাদের এই কষ্টার্জিত সম্পদ রক্ষা করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তাড়াশ উপজেলাকে গরু চোর মুক্ত করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। ইতিপূর্বেই আমরা উপজেলার বিভিন্ন প্রবেশদ্বার এবং ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশের বিশেষ টহল ও নজরদারি জোরদার করেছি।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের এই তৎপরতা সফল করতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও জরুরি। আমরা খামারিদের অনুরোধ করছি, যেন তারা গোয়ালঘরে মজবুত তালা ব্যবহার করেন এবং রাতে সিসিটিভি ক্যামেরা বা আলোর সুব্যবস্থা রাখেন। গভীর রাতে কোনো এলাকায় সন্দেহভাজন গাড়ি বা ব্যক্তির চলাচল দেখলেই সাথে সাথে তাড়াশ থানাকে অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ জানান। অপরাধীদের দমনে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা মাঠে রয়েছে।"
পুলিশের এই ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদারের পর এলাকার সাধারণ কৃষক ও বড় খামারিদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বেশ কয়েকজন খামারি জানান, পুলিশের নিয়মিত টহল ও রাতে সাইরেন বা বাঁশির আওয়াজ পাওয়ার পর থেকে তারা এখন অনেকটাই নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছেন। তবে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন বছরজুড়েই অব্যাহত থাকে, এমনটাই প্রত্যাশা তাড়াশবাসীর।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে খামারি ও কৃষকদের প্রধান আতঙ্কের নাম ‘গরু চুরি’। গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এই গবাদিপশু রক্ষায় এবার কঠোর অবস্থানে নেমেছে তাড়াশ থানা পুলিশ। চোরের উপদ্রব শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে নৈশকালীন টহল, বসানো হয়েছে চেকপোস্ট এবং প্রত্যন্ত এলাকার পাহারাদারদের সাথে বাড়ানো হয়েছে সমন্বয়।
উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, গ্রামীণ রাস্তা এবং উপজেলার সীমানা এলাকাগুলোতে পুলিশের রাত্রিকালীন মোবাইল টিম ও মোটরসাইকেল টহল জোরদার করা হয়েছে।
গভীর রাতে সন্দেহভাজন ট্রাক, নসিমন, করিমন বা পিকআপ ভ্যান তল্লাশি করতে কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে আকস্মিক চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
ইউনিয়নে বিট অফিসারদের মাধ্যমে সাধারণ কৃষক ও খামারিদের সচেতন করা হচ্ছে, যেন তারা গোয়ালঘরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেন এবং অচেনা কোনো ব্যক্তির আনাগোনা দেখলে পুলিশকে জানান।
তাড়াশে গরু চুরি রোধে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো হাবিবুর রহমান বলেন, কৃষক ও খামারিদের সারাবছরের সম্বল এই গবাদিপশু। তাদের এই কষ্টার্জিত সম্পদ রক্ষা করা আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তাড়াশ উপজেলাকে গরু চোর মুক্ত করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। ইতিপূর্বেই আমরা উপজেলার বিভিন্ন প্রবেশদ্বার এবং ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশের বিশেষ টহল ও নজরদারি জোরদার করেছি।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের এই তৎপরতা সফল করতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও জরুরি। আমরা খামারিদের অনুরোধ করছি, যেন তারা গোয়ালঘরে মজবুত তালা ব্যবহার করেন এবং রাতে সিসিটিভি ক্যামেরা বা আলোর সুব্যবস্থা রাখেন। গভীর রাতে কোনো এলাকায় সন্দেহভাজন গাড়ি বা ব্যক্তির চলাচল দেখলেই সাথে সাথে তাড়াশ থানাকে অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ জানান। অপরাধীদের দমনে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা মাঠে রয়েছে।"
পুলিশের এই ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদারের পর এলাকার সাধারণ কৃষক ও বড় খামারিদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় বেশ কয়েকজন খামারি জানান, পুলিশের নিয়মিত টহল ও রাতে সাইরেন বা বাঁশির আওয়াজ পাওয়ার পর থেকে তারা এখন অনেকটাই নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছেন। তবে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন বছরজুড়েই অব্যাহত থাকে, এমনটাই প্রত্যাশা তাড়াশবাসীর।

আপনার মতামত লিখুন