দৈনিক লাল বার্তা

বঙ্গোপসাগরে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, কক্সবাজারের আকাশে রহস্যময় আলোর রেখা



বঙ্গোপসাগরে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, কক্সবাজারের আকাশে রহস্যময় আলোর রেখা

বঙ্গোপসাগরে ভারতের সম্ভাব্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের পশ্চিম আকাশে একটি দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। এতে সৈকতে অবস্থানরত পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় আকাশে হঠাৎ একটি উজ্জ্বল ও দীর্ঘ আলোর রেখা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই অপরিচিত দৃশ্য দেখে উপস্থিত অনেকেই বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

সৈকতে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহিম জানান, হঠাৎ এই দৃশ্য দেখে প্রথমে তিনি আতঙ্কিত হয়ে যান এবং দৃশ্যটি তাঁর কাছে যুদ্ধকালীন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দৃশ্যের মতো মনে হয়েছিল। আরেক পর্যটক সাইফুর রহিম বলেন, পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসে এমন দৃশ্যের মুখোমুখি হবেন তিনি আশা করেননি, তবে বিষয়টি তাঁর কাছে অদ্ভুত ও আকর্ষণীয় মনে হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের একজন আবহাওয়াবিদ নিশ্চিত করেছেন, এই ঘটনা কোনো প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত বিষয় নয়।

একটি বিমানবাহিনীর গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ভারত আগে থেকেই বঙ্গোপসাগরে অগ্নি-৬ নামের সম্ভাব্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে অবহিত করেছিল। সূত্র অনুযায়ী, ৪ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। সূত্রটি আরও জানায়, ঘটনাটি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরীক্ষার জন্য নোটাম বা বিমান চলাচল বিষয়ক বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। ওড়িশার ডক্টর এ পি জে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপের কথা ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল। এই দ্বীপটি ভারতের নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


বঙ্গোপসাগরে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, কক্সবাজারের আকাশে রহস্যময় আলোর রেখা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image


বঙ্গোপসাগরে ভারতের সম্ভাব্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের পশ্চিম আকাশে একটি দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। এতে সৈকতে অবস্থানরত পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।


শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় আকাশে হঠাৎ একটি উজ্জ্বল ও দীর্ঘ আলোর রেখা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই অপরিচিত দৃশ্য দেখে উপস্থিত অনেকেই বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।


সৈকতে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহিম জানান, হঠাৎ এই দৃশ্য দেখে প্রথমে তিনি আতঙ্কিত হয়ে যান এবং দৃশ্যটি তাঁর কাছে যুদ্ধকালীন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দৃশ্যের মতো মনে হয়েছিল। আরেক পর্যটক সাইফুর রহিম বলেন, পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসে এমন দৃশ্যের মুখোমুখি হবেন তিনি আশা করেননি, তবে বিষয়টি তাঁর কাছে অদ্ভুত ও আকর্ষণীয় মনে হয়েছে।


কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের একজন আবহাওয়াবিদ নিশ্চিত করেছেন, এই ঘটনা কোনো প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত বিষয় নয়।


একটি বিমানবাহিনীর গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ভারত আগে থেকেই বঙ্গোপসাগরে অগ্নি-৬ নামের সম্ভাব্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে অবহিত করেছিল। সূত্র অনুযায়ী, ৪ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। সূত্রটি আরও জানায়, ঘটনাটি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরীক্ষার জন্য নোটাম বা বিমান চলাচল বিষয়ক বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। ওড়িশার ডক্টর এ পি জে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপের কথা ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল। এই দ্বীপটি ভারতের নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা