গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার দিবাগত রাতে সাঘাটা বাজারস্থ পল্টন মোড় এলাকা থেকে এক ক্যাসিনো মাস্টার ও এজেন্টসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সাঘাটা থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঘাটা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অনলাইন জুয়া পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সাঘাটা উপজেলার সাঘাটার হাসিলকান্দি গ্রামের আফজাল হোসেনের পুত্র শাফিন আহমেদ বিপুল(৩৩), এবং একই উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝারাবর্ষা গ্রামের মৃত ইন্দ্রজিৎ চন্দ্র ঘোষের পুত্র পলাশ চন্দ্র ঘোষ (৩২)।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের মধ্যে শাফিন আহমেদ বিপুল দীর্ঘদিন থেকে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অবৈধ অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পর গাইবান্ধা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সাঘাটা থানা পুলিশ।
স্থানীয়দের মতে, অনলাইন জুয়ার বিস্তার যুব সমাজের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের অভিযানে অপরাধ দমনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে গাইবান্ধা শহরের অনেক ক্যাসিনো সম্রাটরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। সচেতন মহলের দাবি দ্রুত তাদের আটক করে হাজার হাজার জুয়ার নেশায় আসক্তদের বাঁচাতে হবে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার দিবাগত রাতে সাঘাটা বাজারস্থ পল্টন মোড় এলাকা থেকে এক ক্যাসিনো মাস্টার ও এজেন্টসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সাঘাটা থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঘাটা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অনলাইন জুয়া পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সাঘাটা উপজেলার সাঘাটার হাসিলকান্দি গ্রামের আফজাল হোসেনের পুত্র শাফিন আহমেদ বিপুল(৩৩), এবং একই উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝারাবর্ষা গ্রামের মৃত ইন্দ্রজিৎ চন্দ্র ঘোষের পুত্র পলাশ চন্দ্র ঘোষ (৩২)।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের মধ্যে শাফিন আহমেদ বিপুল দীর্ঘদিন থেকে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অবৈধ অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পর গাইবান্ধা বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সাঘাটা থানা পুলিশ।
স্থানীয়দের মতে, অনলাইন জুয়ার বিস্তার যুব সমাজের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের অভিযানে অপরাধ দমনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে গাইবান্ধা শহরের অনেক ক্যাসিনো সম্রাটরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। সচেতন মহলের দাবি দ্রুত তাদের আটক করে হাজার হাজার জুয়ার নেশায় আসক্তদের বাঁচাতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন