রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মাদারপুর গ্রামের আখিরা নদী আজ এক মর্মান্তিক আত্মত্যাগের সাক্ষী। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে নিজের পিতার জীবন বাঁচাতে গিয়ে নদীর উত্তাল স্রোতে হারিয়ে গেলো ২৫ বছরের তরুণ লিমন মিয়া।
পিতা গোফফার আলী সাঁতার না জানলেও নদী পার হয়ে ওপারের জমি থেকে পাকা ধান আনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মাঝনদীতে গিয়ে প্রবল স্রোতের ঘূর্ণিতে পড়ে তিনি অসহায় হয়ে পড়েন। চারদিকে শুধু পানি আর পানি… ডুবে যেতে যেতে তিনি চিৎকার করে ডাকছিলেন “বাঁচাও! বাঁচাও!”
সেই আর্তনাদ কানে পৌঁছায় তীরে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলে লিমনের। এক মুহূর্ত দেরি করেনি সে। নিজের জীবনের কথা না ভেবেই ঝাঁপিয়ে পড়ে উত্তাল নদীতে। সাঁতার খুব ভালো জানতো না, তবুও বাবাকে বাঁচানোর অদম্য ভালোবাসা তাকে ঠেলে দেয় মৃত্যুর মুখে।
কিন্তু নিষ্ঠুর স্রোত বাবার কাছে পৌঁছানোর আগেই লিমনকে গ্রাস করে নেয়। ধীরে ধীরে তলিয়ে যায় সে—চিরতরে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করলেও আর ফিরিয়ে আনা যায়নি জীবনের স্পন্দন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মাদারপুর গ্রামের আখিরা নদী আজ এক মর্মান্তিক আত্মত্যাগের সাক্ষী। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে নিজের পিতার জীবন বাঁচাতে গিয়ে নদীর উত্তাল স্রোতে হারিয়ে গেলো ২৫ বছরের তরুণ লিমন মিয়া।
পিতা গোফফার আলী সাঁতার না জানলেও নদী পার হয়ে ওপারের জমি থেকে পাকা ধান আনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মাঝনদীতে গিয়ে প্রবল স্রোতের ঘূর্ণিতে পড়ে তিনি অসহায় হয়ে পড়েন। চারদিকে শুধু পানি আর পানি… ডুবে যেতে যেতে তিনি চিৎকার করে ডাকছিলেন “বাঁচাও! বাঁচাও!”
সেই আর্তনাদ কানে পৌঁছায় তীরে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলে লিমনের। এক মুহূর্ত দেরি করেনি সে। নিজের জীবনের কথা না ভেবেই ঝাঁপিয়ে পড়ে উত্তাল নদীতে। সাঁতার খুব ভালো জানতো না, তবুও বাবাকে বাঁচানোর অদম্য ভালোবাসা তাকে ঠেলে দেয় মৃত্যুর মুখে।
কিন্তু নিষ্ঠুর স্রোত বাবার কাছে পৌঁছানোর আগেই লিমনকে গ্রাস করে নেয়। ধীরে ধীরে তলিয়ে যায় সে—চিরতরে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করলেও আর ফিরিয়ে আনা যায়নি জীবনের স্পন্দন।

আপনার মতামত লিখুন