সাব্বির মির্জা:
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ব্যাপকহারে গরু চুরি বেড়ে গেছে। সংঘবদ্ধ গরু চোরের দল প্রায় রাতেই কোন না কোনো কৃষকের বাড়িতে হানা দিচ্ছে। চোরের হাত থেকে গরু রক্ষার জন্য গোয়াল ঘরেই নির্ঘুম রাত পার করছেন অনেক কৃষক। তবে অজ্ঞাত কারণে বেশিরভাগ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে আগ্রহী নয় ভুক্তভোগীরা।
জানা যায়, উপজেলার নওগাঁ, তালম, মাগুরা বিনোদ, সগুনা, বারুহাস, দেশীগ্রাম,মাধাইনগর, তাড়াশ সদর
উপজেলার ফকিরচালা, লস্করচালা, রায়েরচালা বড়ইবাড়ি, মধ্যপাড়া, বৈরাগিচালা, মাটিকাটা ও ঢালাজোড় ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কিছু লাভের আশায় চারটি, পাঁচটি আবার অনেকে বেশি করে গরু লালন পালন করে। এসব গরু পালন করে অনেকে সাবলম্বীও হয়েছেন। কিন্তু কোরবানি ঈদ সামনে রেখে উপজেলায় গরু চোরের উপদ্রব বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে।
প্রতিরাতেই কারো না কারো বাড়িতে গরু চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটছে। তাড়াশ উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা আশরাফ আলী জানান, গত ৭ দিনে তাদের গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের কমপক্ষে অর্ধশত গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সোহেল রানার ৭টি গরু চুরির হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো; হাবিবুর রহমান জানান, গরু চুরি বৃদ্ধির বিষয়টি পুলিশের দৃষ্টিতে রয়েছে। গরু চুরি ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গ্রাম্য চোকিদারদেরও সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য বলা হয়েছে। কোথাও এই ধরণের ঘটনা ঘটে থাকলে তাত্ক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে যেসব কৃষকের গরু চুরি হয়েছে, তাদের লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে গরুগুলো উদ্ধার এবং কারা গরু চুরিতে সম্পৃক্ত রয়েছে তাদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
সাব্বির মির্জা:
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ব্যাপকহারে গরু চুরি বেড়ে গেছে। সংঘবদ্ধ গরু চোরের দল প্রায় রাতেই কোন না কোনো কৃষকের বাড়িতে হানা দিচ্ছে। চোরের হাত থেকে গরু রক্ষার জন্য গোয়াল ঘরেই নির্ঘুম রাত পার করছেন অনেক কৃষক। তবে অজ্ঞাত কারণে বেশিরভাগ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে আগ্রহী নয় ভুক্তভোগীরা।
জানা যায়, উপজেলার নওগাঁ, তালম, মাগুরা বিনোদ, সগুনা, বারুহাস, দেশীগ্রাম,মাধাইনগর, তাড়াশ সদর
উপজেলার ফকিরচালা, লস্করচালা, রায়েরচালা বড়ইবাড়ি, মধ্যপাড়া, বৈরাগিচালা, মাটিকাটা ও ঢালাজোড় ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে কিছু লাভের আশায় চারটি, পাঁচটি আবার অনেকে বেশি করে গরু লালন পালন করে। এসব গরু পালন করে অনেকে সাবলম্বীও হয়েছেন। কিন্তু কোরবানি ঈদ সামনে রেখে উপজেলায় গরু চোরের উপদ্রব বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে।
প্রতিরাতেই কারো না কারো বাড়িতে গরু চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটছে। তাড়াশ উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা আশরাফ আলী জানান, গত ৭ দিনে তাদের গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের কমপক্ষে অর্ধশত গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সোহেল রানার ৭টি গরু চুরির হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো; হাবিবুর রহমান জানান, গরু চুরি বৃদ্ধির বিষয়টি পুলিশের দৃষ্টিতে রয়েছে। গরু চুরি ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গ্রাম্য চোকিদারদেরও সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য বলা হয়েছে। কোথাও এই ধরণের ঘটনা ঘটে থাকলে তাত্ক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে যেসব কৃষকের গরু চুরি হয়েছে, তাদের লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে গরুগুলো উদ্ধার এবং কারা গরু চুরিতে সম্পৃক্ত রয়েছে তাদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন