মো. দেলোয়ার হোসেন:
চন্দনাইশের ৭টি খালের পুর্ণ খনন কাজ এগিয়ে চলছে| ফলে চন্দনাইশের কৃষকদের মাঝে চাষাবাদে আগ্রহ বেড়েছে| কৃষকদের এ আগ্রহকে ধরে রাখতে কৃষি পণ্যের দাম কমিয়ে উৎপাদিত ফসলের দাম বাড়াতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞমহল|
প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে পূর্ণ জাগরণে রূপ দিতে যাচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান| সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচি ছিল একটি মহা পরিকল্পনা| জিয়ার দর্শন ছিল কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক, অর্থনৈতিক প্রভাব ছিল সুদুর প্রসারী| খাল খনন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অঞ্চলে ব্যাপক কমসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছিল| ত্রণমূল পর্যায়ে দারিদ্র বিমোচনের একটি ¯^য়ং-সম্পূর্ণ পরিকল্পনা খাল খনন কর্মসুচি| বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, অর্থনীতি, জন জীবনের প্রধান হলো কৃষি ও পানিসম্পদ| সারা দেশের ন্যায় চন্দনাইশে চলতি অর্থ বছরে যে সমস্ত খাল ভরাট হয়ে পানি চলাচল বাধাগ্রস্থ হচ্ছে সে সকল খাল পূর্ণ খননের উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ| বিএডিসির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চলতি অর্থ বছরে ইতিমধ্যে নিশিকান্ত (যতখাল) প্রথমাংশে ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩ কিলোমিটার, শহীদ জিয়া (বরুমতি খাল) বরকল সড়কের উভয় পাশে চন্দনাইশ পৌর এলাকায় ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪ কিলোমিটার খাল পূর্ণ খনন করা হয়| অপরদিকে নিশিকান্ত (যতখাল) খালের দ্বিতীয়াংশে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪ কিলোমিটার, বরুমতি খাল তথা বরমা এলাকা থেকে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫ কিলোমিটার, কাঞ্চনাবাদে জোয়ারা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে গুইল্যাছড়ি খালের ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১ কিলোমিটার, হাশিমপুরের কলেজ গেইট এলাকা থেকে মরাছড়া খাল ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ কিলোমিটার খালের পূর্ণ খনন কাজ এগিয়ে চলছে| এদিকে বরকল ব্রিজ এলাকায় মহেষমারা খাল ১০ লক্ষ ব্যয়ে ১ কিলোমিটার, কানাইমাদারী তরমুজখানি খাল ২০ লক্ষ ব্যয়ে ২ কিলোমিটার খালের পূর্ণ খননের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে জানিয়েছেন বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোশারফ হোসেন| উপ-সহকারী প্রকৌশলী আজমানুর রহমান বলেছেন, এ সকল খাল পূর্ণ খননের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য চাষাবাদে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে| তবে শুষ্ক মৌসুমে এ সকল খালের পানিতে লবনাক্ততা থাকার কারণে চাষাবাদ ব্যহত হয়| এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মোতাবেক চন্দনাইশের চাঁনখালী খালের রাবার ড্রেম ও বাধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান|
গত কয়েক বছর ধরে লবনাক্ততার কারণে বোরো ধানের চাষাবাদ কম হচ্ছে| অপরদিকে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলের কারণে বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় আমন ধানের চাষ| কৃষি সামগ্রী ও পণ্যের দামের সাথে শ্রমিক মজুরি ক্রমাš^য়ে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত ধানের দাম না পাওয়ায় কৃষকেরা হতাশ| ফলে দিন দিন কৃষকেরা ধান উৎপাদন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে| কৃষকদের মধ্যে অনেকে চাল ক্রয় করে সংসারে চালের চাহিদা মেটাচ্ছে| এভাবে চলতে থাকলে আমাদের দেশ খাদ্যে ¯^য়ংসম্পূর্ণ হতে পারবে না| বিষয়টি অনুধাবন করে বর্তমান সরকার খাল খনন কর্মসূচিকে প্রাধান্য দিয়ে চন্দনাইশের ৭টি খাল পূর্ণ খননের প্রকল্প গ্রহণ করেছেন| এতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা|

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
মো. দেলোয়ার হোসেন:
চন্দনাইশের ৭টি খালের পুর্ণ খনন কাজ এগিয়ে চলছে| ফলে চন্দনাইশের কৃষকদের মাঝে চাষাবাদে আগ্রহ বেড়েছে| কৃষকদের এ আগ্রহকে ধরে রাখতে কৃষি পণ্যের দাম কমিয়ে উৎপাদিত ফসলের দাম বাড়াতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞমহল|
প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে পূর্ণ জাগরণে রূপ দিতে যাচ্ছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান| সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচি ছিল একটি মহা পরিকল্পনা| জিয়ার দর্শন ছিল কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক, অর্থনৈতিক প্রভাব ছিল সুদুর প্রসারী| খাল খনন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অঞ্চলে ব্যাপক কমসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছিল| ত্রণমূল পর্যায়ে দারিদ্র বিমোচনের একটি ¯^য়ং-সম্পূর্ণ পরিকল্পনা খাল খনন কর্মসুচি| বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, অর্থনীতি, জন জীবনের প্রধান হলো কৃষি ও পানিসম্পদ| সারা দেশের ন্যায় চন্দনাইশে চলতি অর্থ বছরে যে সমস্ত খাল ভরাট হয়ে পানি চলাচল বাধাগ্রস্থ হচ্ছে সে সকল খাল পূর্ণ খননের উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ| বিএডিসির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে চলতি অর্থ বছরে ইতিমধ্যে নিশিকান্ত (যতখাল) প্রথমাংশে ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩ কিলোমিটার, শহীদ জিয়া (বরুমতি খাল) বরকল সড়কের উভয় পাশে চন্দনাইশ পৌর এলাকায় ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪ কিলোমিটার খাল পূর্ণ খনন করা হয়| অপরদিকে নিশিকান্ত (যতখাল) খালের দ্বিতীয়াংশে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪ কিলোমিটার, বরুমতি খাল তথা বরমা এলাকা থেকে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫ কিলোমিটার, কাঞ্চনাবাদে জোয়ারা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে গুইল্যাছড়ি খালের ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১ কিলোমিটার, হাশিমপুরের কলেজ গেইট এলাকা থেকে মরাছড়া খাল ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ কিলোমিটার খালের পূর্ণ খনন কাজ এগিয়ে চলছে| এদিকে বরকল ব্রিজ এলাকায় মহেষমারা খাল ১০ লক্ষ ব্যয়ে ১ কিলোমিটার, কানাইমাদারী তরমুজখানি খাল ২০ লক্ষ ব্যয়ে ২ কিলোমিটার খালের পূর্ণ খননের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে জানিয়েছেন বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোশারফ হোসেন| উপ-সহকারী প্রকৌশলী আজমানুর রহমান বলেছেন, এ সকল খাল পূর্ণ খননের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য চাষাবাদে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে| তবে শুষ্ক মৌসুমে এ সকল খালের পানিতে লবনাক্ততা থাকার কারণে চাষাবাদ ব্যহত হয়| এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মোতাবেক চন্দনাইশের চাঁনখালী খালের রাবার ড্রেম ও বাধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান|
গত কয়েক বছর ধরে লবনাক্ততার কারণে বোরো ধানের চাষাবাদ কম হচ্ছে| অপরদিকে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলের কারণে বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় আমন ধানের চাষ| কৃষি সামগ্রী ও পণ্যের দামের সাথে শ্রমিক মজুরি ক্রমাš^য়ে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত ধানের দাম না পাওয়ায় কৃষকেরা হতাশ| ফলে দিন দিন কৃষকেরা ধান উৎপাদন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে| কৃষকদের মধ্যে অনেকে চাল ক্রয় করে সংসারে চালের চাহিদা মেটাচ্ছে| এভাবে চলতে থাকলে আমাদের দেশ খাদ্যে ¯^য়ংসম্পূর্ণ হতে পারবে না| বিষয়টি অনুধাবন করে বর্তমান সরকার খাল খনন কর্মসূচিকে প্রাধান্য দিয়ে চন্দনাইশের ৭টি খাল পূর্ণ খননের প্রকল্প গ্রহণ করেছেন| এতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা|

আপনার মতামত লিখুন