দৈনিক লাল বার্তা

মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি কমলেও সুনামগঞ্জে বাড়ছে



মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি কমলেও সুনামগঞ্জে বাড়ছে

তিমির বনিক:

বৃষ্টিপাত কমে আসায় মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে পানি আবারও বাড়ছে। এতে একদিকে মৌলভীবাজারে কৃষকেরা সামান্য স্বস্তি পেলেও সুনামগঞ্জে বোরো ধান নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে জেলার মনু, কুশিয়ারা, ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বেড়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার থেকে পানি নামতে শুরু করলেও শুক্রবার বৃষ্টির কারণে আবার ও আশঙ্কা বেড়ে চলেছে। এর ফলে তলিয়ে যাওয়া ধানক্ষেত ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। অনেক জায়গায় কৃষকেরা পানির নিচ থেকে ধান কাটার কাজ শুরু করেছেন।

তবে জেলার হাওরাঞ্চল এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, উজানে নতুন করে বৃষ্টি না হলে নদীর পানি আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে সুনামগঞ্জে গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃষ্টি কমলেও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হাওরের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নিচু এলাকার বোরো ধান তলিয়ে গেছে। কৃষকেরা জানিয়েছেন, পানি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ধান কাটা ও শুকানো দুটোই কঠিন হয়ে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় সামান্য বৃষ্টি হলেও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মৌসিনরামের বৃষ্টির কারণে উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় সুরমাসহ বিভিন্ন নদীর পানি বাড়ছে।

এদিকে কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জের হাওরে এ পর্যন্ত হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়েছে। যদিও ধান কাটার কাজ চলছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কৃষকেরা বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি কমলেও সুনামগঞ্জে বাড়ছে

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image


তিমির বনিক:


বৃষ্টিপাত কমে আসায় মৌলভীবাজারে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে পানি আবারও বাড়ছে। এতে একদিকে মৌলভীবাজারে কৃষকেরা সামান্য স্বস্তি পেলেও সুনামগঞ্জে বোরো ধান নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে জেলার মনু, কুশিয়ারা, ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বেড়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার থেকে পানি নামতে শুরু করলেও শুক্রবার বৃষ্টির কারণে আবার ও আশঙ্কা বেড়ে চলেছে। এর ফলে তলিয়ে যাওয়া ধানক্ষেত ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। অনেক জায়গায় কৃষকেরা পানির নিচ থেকে ধান কাটার কাজ শুরু করেছেন।


তবে জেলার হাওরাঞ্চল এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, উজানে নতুন করে বৃষ্টি না হলে নদীর পানি আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।


অন্যদিকে সুনামগঞ্জে গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃষ্টি কমলেও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হাওরের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে নিচু এলাকার বোরো ধান তলিয়ে গেছে। কৃষকেরা জানিয়েছেন, পানি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ধান কাটা ও শুকানো দুটোই কঠিন হয়ে পড়েছে।


পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় সামান্য বৃষ্টি হলেও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মৌসিনরামের বৃষ্টির কারণে উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় সুরমাসহ বিভিন্ন নদীর পানি বাড়ছে।


এদিকে কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জের হাওরে এ পর্যন্ত হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়েছে। যদিও ধান কাটার কাজ চলছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কৃষকেরা বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।


দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা