মে দিবস শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদার প্রতীক হলেও বাস্তবতার কঠিন চাপে এ দিবসে ছুটির সুযোগ নেই ধানকাটা শ্রমিকদের। একদিন কাজ না করলে তাদের পাতে ভাত জোটে না—তাই দিবসের তাৎপর্য তাদের জীবনে অনেকটাই অনুপস্থিত। শুক্রবার (১ মে) ভোর হতেই সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজারে ধানকাটা শ্রমিকদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে। জমির মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দরদাম চলতে থাকে। শুধু রায়গঞ্জ নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার জমির মালিকরাও শ্রমিক সংগ্রহ করতে এখানে ভিড় জমান। বোরো ধান কাটার এই মৌসুমে এক মুহূর্তও বসে থাকতে চান না শ্রমিকরা। সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত শ্রমিক মাঠে নেমে পড়েছেন জীবিকার তাগিদে। তাদের কাছে মে দিবস মানে বাড়তি কোনো ছুটি নয়, বরং আরও একটি কর্মব্যস্ত দিন। ধানকাটা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সময়টিই তাদের প্রধান উপার্জনের মৌসুম। সামান্য কয়েকদিন পরই শুরু হবে বর্ষা, তখন মাঠে কাজ কমে যাবে। তাই এই সময়টাতে যতটা সম্ভব কাজ করে কিছু অর্থ সঞ্চয় করতে চান তারা। অনেক শ্রমিকই জানান, একবেলা কাজ না করলে তাদের পেটে ভাত জোটে না। দিবস তাদের খাবার জোগাবে না—এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই তারা মাঠে নামেন। তাদের ভাষায়, “কাজ যখন করতেই হবে, তখন ঘরে বসে থেকে লাভ কী?”

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
মে দিবস শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদার প্রতীক হলেও বাস্তবতার কঠিন চাপে এ দিবসে ছুটির সুযোগ নেই ধানকাটা শ্রমিকদের। একদিন কাজ না করলে তাদের পাতে ভাত জোটে না—তাই দিবসের তাৎপর্য তাদের জীবনে অনেকটাই অনুপস্থিত। শুক্রবার (১ মে) ভোর হতেই সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজারে ধানকাটা শ্রমিকদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে। জমির মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দরদাম চলতে থাকে। শুধু রায়গঞ্জ নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার জমির মালিকরাও শ্রমিক সংগ্রহ করতে এখানে ভিড় জমান। বোরো ধান কাটার এই মৌসুমে এক মুহূর্তও বসে থাকতে চান না শ্রমিকরা। সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত শ্রমিক মাঠে নেমে পড়েছেন জীবিকার তাগিদে। তাদের কাছে মে দিবস মানে বাড়তি কোনো ছুটি নয়, বরং আরও একটি কর্মব্যস্ত দিন। ধানকাটা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সময়টিই তাদের প্রধান উপার্জনের মৌসুম। সামান্য কয়েকদিন পরই শুরু হবে বর্ষা, তখন মাঠে কাজ কমে যাবে। তাই এই সময়টাতে যতটা সম্ভব কাজ করে কিছু অর্থ সঞ্চয় করতে চান তারা। অনেক শ্রমিকই জানান, একবেলা কাজ না করলে তাদের পেটে ভাত জোটে না। দিবস তাদের খাবার জোগাবে না—এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই তারা মাঠে নামেন। তাদের ভাষায়, “কাজ যখন করতেই হবে, তখন ঘরে বসে থেকে লাভ কী?”

আপনার মতামত লিখুন