দেশের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য মো. তিতাস শেখ। কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ২৮ বছর বয়সী এই সেনাসদস্য। তাঁর মৃত্যুতে ফরিদপুরের নগরকান্দায় গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। সন্তান হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা, স্বামী হারিয়ে দিশেহারা স্ত্রী। অন্যদিকে প্রিয় মানুষটিকে শেষবারের মতো দেখতে অপেক্ষায় স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা। তিতাসের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে উপজেলা প্রশাসন।
সন্তান হারানোর শোক কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না মা রেখা বেগম। বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, ছেলের স্মৃতি মনে করে বিলাপ করছেন তিনি। একই অবস্থা স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারের। মাত্র চার বছরের সংসারজীবনেই থেমে গেল তাঁদের স্বপ্নের পথচলা। স্বামীকে ঘিরে সাজানো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এখন শুধুই স্মৃতি।
তিতাসের বাড়িতে ভিড় করছেন স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও পরিচিতজনেরা। সবার মুখেই শোকের ছাপ। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনায় কাঁদছেন অনেকে। তবে শুধু স্বজনদের কাছেই নয়, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের কাছেও তিতাস ছিলেন পরিচিত ও প্রিয় একজন মানুষ।
বন্ধু ও স্বজনদের স্মৃতিচারণায় উঠে আসছে তিতাসের ব্যক্তিত্ব, তাঁর আচরণ ও মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্কের নানা দিক।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মৃত্যুর খবর ও মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর বিষয়ে জানানো হয়েছে। হেলিকপ্টারে করে নগরকান্দা হেলিপ্যাডে মরদেহ আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন পরিবার থেকে।
এদিকে নিহত সেনাসদস্যের পরিবারের খোঁজখবর নিতে বাড়িতে এসেছেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর বিষয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে উপজেলা প্রশাসন।
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর অভিযান চলাকালে বৃহস্পতিবার বিকেলে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন তিতাস শেখ। তাঁর বুকের বাঁ পাশে গুলি লাগে। প্রথমে তাঁকে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে মারা যান তিনি।
তিতাস শেখ সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য হিসেবে টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নে। প্রিয় মানুষটিকে শেষবারের মতো দেখতে অপেক্ষায় পুরো পরিবার। যে বাড়িতে একসময় ছিল হাসি-আনন্দ, সেই বাড়িতেই এখন শুধুই কান্না আর স্বজন হারানোর বেদনা।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
দেশের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য মো. তিতাস শেখ। কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ২৮ বছর বয়সী এই সেনাসদস্য। তাঁর মৃত্যুতে ফরিদপুরের নগরকান্দায় গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। সন্তান হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা, স্বামী হারিয়ে দিশেহারা স্ত্রী। অন্যদিকে প্রিয় মানুষটিকে শেষবারের মতো দেখতে অপেক্ষায় স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা। তিতাসের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে উপজেলা প্রশাসন।
সন্তান হারানোর শোক কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না মা রেখা বেগম। বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, ছেলের স্মৃতি মনে করে বিলাপ করছেন তিনি। একই অবস্থা স্ত্রী সুমাইয়া আক্তারের। মাত্র চার বছরের সংসারজীবনেই থেমে গেল তাঁদের স্বপ্নের পথচলা। স্বামীকে ঘিরে সাজানো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এখন শুধুই স্মৃতি।
তিতাসের বাড়িতে ভিড় করছেন স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও পরিচিতজনেরা। সবার মুখেই শোকের ছাপ। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনায় কাঁদছেন অনেকে। তবে শুধু স্বজনদের কাছেই নয়, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের কাছেও তিতাস ছিলেন পরিচিত ও প্রিয় একজন মানুষ।
বন্ধু ও স্বজনদের স্মৃতিচারণায় উঠে আসছে তিতাসের ব্যক্তিত্ব, তাঁর আচরণ ও মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্কের নানা দিক।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মৃত্যুর খবর ও মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর বিষয়ে জানানো হয়েছে। হেলিকপ্টারে করে নগরকান্দা হেলিপ্যাডে মরদেহ আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন পরিবার থেকে।
এদিকে নিহত সেনাসদস্যের পরিবারের খোঁজখবর নিতে বাড়িতে এসেছেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর বিষয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে উপজেলা প্রশাসন।
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর অভিযান চলাকালে বৃহস্পতিবার বিকেলে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন তিতাস শেখ। তাঁর বুকের বাঁ পাশে গুলি লাগে। প্রথমে তাঁকে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে মারা যান তিনি।
তিতাস শেখ সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য হিসেবে টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নে। প্রিয় মানুষটিকে শেষবারের মতো দেখতে অপেক্ষায় পুরো পরিবার। যে বাড়িতে একসময় ছিল হাসি-আনন্দ, সেই বাড়িতেই এখন শুধুই কান্না আর স্বজন হারানোর বেদনা।

আপনার মতামত লিখুন