সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গায় ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মারা গেছেন মা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ছেলের মরদেহ বাড়ি থেকে কবরস্থানে নেওয়ার পরপরই মায়ের মৃত্যু হয়। মর্মান্তিক এ ঘটনায় বেতুয়া গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সলঙ্গা থানার ধুবিল ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামে। মা ও ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে বেতুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ সরকারের দ্বিতীয় ছেলে সাইফুল সরকার (৫৯) মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা শোকে ভেঙে পড়েন। পরে দুপুর ১টার দিকে সাইফুলের মরদেহ বাড়ি থেকে স্থানীয় কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর দুপুর সোয়া ১টার দিকে তাঁর মা তারা বানু (৭৭) মারা যান। ছেলের মৃত্যুর শোকেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা। এক ঘণ্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে পরিবারটিতে শোকের মাতম শুরু হয়।
ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সানোয়ার হোসেন মা ও ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেতুয়া দক্ষিণপাড়া কবরস্থানে মা ও ছেলেকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।
একই দিনে মা ও ছেলের মৃত্যুতে বেতুয়া গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গায় ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মারা গেছেন মা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ছেলের মরদেহ বাড়ি থেকে কবরস্থানে নেওয়ার পরপরই মায়ের মৃত্যু হয়। মর্মান্তিক এ ঘটনায় বেতুয়া গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সলঙ্গা থানার ধুবিল ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামে। মা ও ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে বেতুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ সরকারের দ্বিতীয় ছেলে সাইফুল সরকার (৫৯) মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা শোকে ভেঙে পড়েন। পরে দুপুর ১টার দিকে সাইফুলের মরদেহ বাড়ি থেকে স্থানীয় কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর দুপুর সোয়া ১টার দিকে তাঁর মা তারা বানু (৭৭) মারা যান। ছেলের মৃত্যুর শোকেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা। এক ঘণ্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যুতে পরিবারটিতে শোকের মাতম শুরু হয়।
ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সানোয়ার হোসেন মা ও ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেতুয়া দক্ষিণপাড়া কবরস্থানে মা ও ছেলেকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।
একই দিনে মা ও ছেলের মৃত্যুতে বেতুয়া গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন