সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও অসহায়ত্বের কারণে চলাচলে দুর্ভোগ পোহানো মোছা. ময়না বেগমের জীবনে নতুন আশার আলো হয়ে এসেছে একটি হুইলচেয়ার। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাঁর অসহায়ত্বের চিত্র তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশের পর পাশে দাঁড়িয়েছে ‘প্রচেষ্টা সবার জন্য’ সংগঠন ও ‘হাউজ অফ মান্নান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’। তাদের যৌথ উদ্যোগে চলাচলের জন্য একটি হুইলচেয়ার পেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের জয়ানপুর এলাকায় ময়না বেগম ও তাঁর পরিবারের হাতে হুইলচেয়ারটি তুলে দেওয়া হয়। ‘প্রচেষ্টা সবার জন্য’ সংগঠনের সহযোগিতায় এবং ‘হাউজ অফ মান্নান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর অর্থায়নে হুইলচেয়ারটি পাঠান মো. শাহবাজ খান সানি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ধানগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মো. হাফিজুর রহমান, ধানগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী ফরিদুল ইসলাম, জয়ানপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সমাজকর্মী শরিফুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ, জয়ানপুর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী সুলতান মাহমুদসহ আরও অনেকে।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ময়না বেগমের অসহায় জীবনযাপন ও চলাচলের কষ্টের চিত্র উঠে আসে। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ‘প্রচেষ্টা সবার জন্য’ সংগঠন ও ‘হাউজ অফ মান্নান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নজরে আসে। পরে তাঁর চলাচলের কষ্ট লাঘবে হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়।
হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ময়না বেগম। তিনি বলেন, “পায়ের সমস্যার কারণে চলাফেরা করাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন নিজের একটি হুইলচেয়ার পেয়েছি। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
স্থানীয়রা জানান, ময়না বেগমের জন্য হুইলচেয়ারটি শুধু চলাচলের উপকরণ নয়, বরং স্বাভাবিক জীবনযাপনের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা। তবে তাঁর পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করা এবং ছেলে সুমনের পড়াশোনা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়ার জন্য আরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগকে মানবিকতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, গণমাধ্যম মানুষের দুর্ভোগ ও প্রয়োজনের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে অসহায় মানুষের জীবনেও আশার আলো জ্বলে উঠতে পারে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও অসহায়ত্বের কারণে চলাচলে দুর্ভোগ পোহানো মোছা. ময়না বেগমের জীবনে নতুন আশার আলো হয়ে এসেছে একটি হুইলচেয়ার। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাঁর অসহায়ত্বের চিত্র তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশের পর পাশে দাঁড়িয়েছে ‘প্রচেষ্টা সবার জন্য’ সংগঠন ও ‘হাউজ অফ মান্নান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’। তাদের যৌথ উদ্যোগে চলাচলের জন্য একটি হুইলচেয়ার পেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের জয়ানপুর এলাকায় ময়না বেগম ও তাঁর পরিবারের হাতে হুইলচেয়ারটি তুলে দেওয়া হয়। ‘প্রচেষ্টা সবার জন্য’ সংগঠনের সহযোগিতায় এবং ‘হাউজ অফ মান্নান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর অর্থায়নে হুইলচেয়ারটি পাঠান মো. শাহবাজ খান সানি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ধানগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মো. হাফিজুর রহমান, ধানগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদপ্রার্থী ফরিদুল ইসলাম, জয়ানপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সমাজকর্মী শরিফুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ, জয়ানপুর ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী সুলতান মাহমুদসহ আরও অনেকে।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ময়না বেগমের অসহায় জীবনযাপন ও চলাচলের কষ্টের চিত্র উঠে আসে। সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ‘প্রচেষ্টা সবার জন্য’ সংগঠন ও ‘হাউজ অফ মান্নান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নজরে আসে। পরে তাঁর চলাচলের কষ্ট লাঘবে হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়।
হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ময়না বেগম। তিনি বলেন, “পায়ের সমস্যার কারণে চলাফেরা করাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন নিজের একটি হুইলচেয়ার পেয়েছি। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
স্থানীয়রা জানান, ময়না বেগমের জন্য হুইলচেয়ারটি শুধু চলাচলের উপকরণ নয়, বরং স্বাভাবিক জীবনযাপনের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা। তবে তাঁর পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করা এবং ছেলে সুমনের পড়াশোনা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়ার জন্য আরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগকে মানবিকতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, গণমাধ্যম মানুষের দুর্ভোগ ও প্রয়োজনের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে অসহায় মানুষের জীবনেও আশার আলো জ্বলে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন