ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ৫ টি জেলা নিয়ে গঠিত ছিল ফরিদপুরের বৃহত্তর জেলা,তথা ফরিদপুর,মাদারীপুর, শরীয়তপুর গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ি,এরশাদ রাষ্ট্রপতি হয়ে বৃহত্তর ফরিদপুর কে ৫ ভাগে ভাগ করে আলাদা জিলা করা হয়। এই ৫জিলার জমি সংক্রান্ত যতো দলিলের কাগজ পত্র বা ভলিউম সকল কিছু ফরিদপুর রেজেষ্টি অফিসে রেকর্ড রুমে সংগ্রহিত আছে। কোন জমির মালিকের দলিল হায়ে গেলে ফরিদপুরের জেলা রেজেষ্টি অফিস থেকে নকল কপি সংগ্রহ করে থাকে জমির ভূমির মালিকগন। এই রেকট রুমটি একটি গুরুত্বপূর্ণ,তবে বাস্তবে
এর উল্টাপাল্টা,প্রতিদিন ফরিদপুর জেলা রেজিষ্টারে কার্য্যলয় ও সদর সাব রেজিষ্টি অফিস থেকে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়। কিন্তু যে কাগজ পত্র দিয়ে এতো টাকা সরকারের রাজস্ব আদায় হয় সেদিক কেউ খবর রাখেনা। জেলা রেজিষ্টারের রেকর্ড রুমটির অবস্থা খুবই লাজুক
বহু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কত্তৃপক্ষ রক্ষনা বেক্ষনার দায়িত্ব নিচ্ছে না। ৩লা বিশিষ্ট বিল্ডিং টির নীচের অংশে জানালা ভাংগা চুরা অবস্থা পরে আছে এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল পত্র নষ্ট হচ্ছে।কোন সংকারের উদ্যেগ নেই।
প্রতি দিন প্রায় শতাধিক লোকজন আশে পৃর্বের দলিলের নকল কপি নিতে।যদি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্তা না করলে সরকারের প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা রেজিষ্টার সফিকুল ইসলাম জানান যে প্রতিমাসে মন্ত্রণালয়ে সংস্কারের বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন পাঠাই। ফরিদপুর বাসীর দাবি দ্রুত সংস্কারের কাজ টি করে দেওয়া হয়।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ৫ টি জেলা নিয়ে গঠিত ছিল ফরিদপুরের বৃহত্তর জেলা,তথা ফরিদপুর,মাদারীপুর, শরীয়তপুর গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ি,এরশাদ রাষ্ট্রপতি হয়ে বৃহত্তর ফরিদপুর কে ৫ ভাগে ভাগ করে আলাদা জিলা করা হয়। এই ৫জিলার জমি সংক্রান্ত যতো দলিলের কাগজ পত্র বা ভলিউম সকল কিছু ফরিদপুর রেজেষ্টি অফিসে রেকর্ড রুমে সংগ্রহিত আছে। কোন জমির মালিকের দলিল হায়ে গেলে ফরিদপুরের জেলা রেজেষ্টি অফিস থেকে নকল কপি সংগ্রহ করে থাকে জমির ভূমির মালিকগন। এই রেকট রুমটি একটি গুরুত্বপূর্ণ,তবে বাস্তবে
এর উল্টাপাল্টা,প্রতিদিন ফরিদপুর জেলা রেজিষ্টারে কার্য্যলয় ও সদর সাব রেজিষ্টি অফিস থেকে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়। কিন্তু যে কাগজ পত্র দিয়ে এতো টাকা সরকারের রাজস্ব আদায় হয় সেদিক কেউ খবর রাখেনা। জেলা রেজিষ্টারের রেকর্ড রুমটির অবস্থা খুবই লাজুক
বহু গুরুত্বপূর্ণ কাগজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কত্তৃপক্ষ রক্ষনা বেক্ষনার দায়িত্ব নিচ্ছে না। ৩লা বিশিষ্ট বিল্ডিং টির নীচের অংশে জানালা ভাংগা চুরা অবস্থা পরে আছে এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল পত্র নষ্ট হচ্ছে।কোন সংকারের উদ্যেগ নেই।
প্রতি দিন প্রায় শতাধিক লোকজন আশে পৃর্বের দলিলের নকল কপি নিতে।যদি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্তা না করলে সরকারের প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা রেজিষ্টার সফিকুল ইসলাম জানান যে প্রতিমাসে মন্ত্রণালয়ে সংস্কারের বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন পাঠাই। ফরিদপুর বাসীর দাবি দ্রুত সংস্কারের কাজ টি করে দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন