সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার তিন ইউনিয়নের ছয়জন খুচরা সার বিক্রেতার সার বরাদ্দ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মমিনুল ইসলাম।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ধুবিল ইউনিয়নের চারজন খুচরা সার বিক্রেতা—আফসার আলী তালুকদার, মমতাজ উদ্দিন, বানসা রাম ও জাহিদুল ইসলামের সার বরাদ্দ বন্ধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা হাবিবুর রহমানের অধীনে থাকা মো. আব্দুল মমিন এবং ধানগড়া ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা জাফর ইকবাল খান রিপনের অধীনে থাকা সুমন আহমেদের সার বরাদ্দও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির নজরে আসে। পরে কমিটির সভায় সংশ্লিষ্টদের সার বরাদ্দ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ধরন বা অনিয়মের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগের পর উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় ছয়জন খুচরা সার বিক্রেতার সার বরাদ্দ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।”
তিনি বলেন, বরাদ্দ বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট খুচরা বিক্রেতাদের আওতাধীন কৃষকদের সার পেতে কোনো সমস্যা হবে না। তারা নিজ নিজ ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত মূল ডিলারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারবেন।
কৃষকদের অভিযোগ, সার বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ কৃষকেরাই। বিশেষ করে চাষাবাদের মৌসুমে সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার না পাওয়া কৃষকদের উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে। এ কারণে সার বিতরণ ও বিক্রয় ব্যবস্থায় নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি রয়েছে কৃষকদের মধ্যে।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সার বিতরণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করা হচ্ছে। অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার তিন ইউনিয়নের ছয়জন খুচরা সার বিক্রেতার সার বরাদ্দ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মমিনুল ইসলাম।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ধুবিল ইউনিয়নের চারজন খুচরা সার বিক্রেতা—আফসার আলী তালুকদার, মমতাজ উদ্দিন, বানসা রাম ও জাহিদুল ইসলামের সার বরাদ্দ বন্ধ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা হাবিবুর রহমানের অধীনে থাকা মো. আব্দুল মমিন এবং ধানগড়া ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতা জাফর ইকবাল খান রিপনের অধীনে থাকা সুমন আহমেদের সার বরাদ্দও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির নজরে আসে। পরে কমিটির সভায় সংশ্লিষ্টদের সার বরাদ্দ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ধরন বা অনিয়মের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগের পর উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় ছয়জন খুচরা সার বিক্রেতার সার বরাদ্দ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।”
তিনি বলেন, বরাদ্দ বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট খুচরা বিক্রেতাদের আওতাধীন কৃষকদের সার পেতে কোনো সমস্যা হবে না। তারা নিজ নিজ ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত মূল ডিলারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে পারবেন।
কৃষকদের অভিযোগ, সার বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ কৃষকেরাই। বিশেষ করে চাষাবাদের মৌসুমে সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে সার না পাওয়া কৃষকদের উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে। এ কারণে সার বিতরণ ও বিক্রয় ব্যবস্থায় নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি রয়েছে কৃষকদের মধ্যে।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সার বিতরণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করা হচ্ছে। অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন