সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় আট বছরের এক নাবালক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার তিননন্দিনা এলাকায় এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. আশরাফ আলী বাদী হয়ে সলঙ্গা থানায় এই এজাহার দায়ের করেন।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৬ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে শিশুটি তার বাবাকে খাবার খাওয়ার জন্য ডাকতে বাড়ি থেকে বের হয়। পথিমধ্যে তিননন্দিনা মৌজাস্থ মন্টু মাস্টারের পুকুরের উত্তর পাড়ে পৌঁছালে অভিযুক্ত মো. ফজলুল হক (৪৫) শিশুটিকে ডেকে তার কাছে নেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ফজলুল হক শিশুটিকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক বলাৎকার করে। একপর্যায়ে শিশুটির চিৎকারে অভিযুক্ত তাকে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি দ্রুত বাড়ি ফিরে তার বাবাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে।
পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে তাঁদের পরামর্শেই শিশুটির বাবা সলঙ্গা থানায় গিয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
বাদী মো. আশরাফ আলী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকার একজন বখাটে ও খারাপ প্রকৃতির লোক। তিনি এই ঘটনার সুষ্পষ্ট ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ফজলুল হকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম আলী বলেন , লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হবে।
সত্যতা সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় আট বছরের এক নাবালক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার তিননন্দিনা এলাকায় এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. আশরাফ আলী বাদী হয়ে সলঙ্গা থানায় এই এজাহার দায়ের করেন।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৬ আগস্ট ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে শিশুটি তার বাবাকে খাবার খাওয়ার জন্য ডাকতে বাড়ি থেকে বের হয়। পথিমধ্যে তিননন্দিনা মৌজাস্থ মন্টু মাস্টারের পুকুরের উত্তর পাড়ে পৌঁছালে অভিযুক্ত মো. ফজলুল হক (৪৫) শিশুটিকে ডেকে তার কাছে নেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ফজলুল হক শিশুটিকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক বলাৎকার করে। একপর্যায়ে শিশুটির চিৎকারে অভিযুক্ত তাকে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি দ্রুত বাড়ি ফিরে তার বাবাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে।
পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে তাঁদের পরামর্শেই শিশুটির বাবা সলঙ্গা থানায় গিয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
বাদী মো. আশরাফ আলী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকার একজন বখাটে ও খারাপ প্রকৃতির লোক। তিনি এই ঘটনার সুষ্পষ্ট ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ফজলুল হকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম আলী বলেন , লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হবে।
সত্যতা সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন