গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের (এসপি) সরকারি বাংলোতে দায়িত্ব পালনকালে হাবিবুর রহমান (৩৫)নামে এক পুলিশ কনস্টেবল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার বেলা ২টার সময় বাংলোর বাথরুমে সহকর্মীদের অজান্তে তিনি এ ঘটনা ঘটান।
নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী জেলা শহরের সরদার পাড়ায়। তার পিতার নাম মন্টু মিয়া। পারিবারিক জীবনে তাঁর ৮ বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। ঘটনার সময় তিনি স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনের ভিডিও কলে যুক্ত ছিলেন এবং লাইভে থাকা অবস্থাতেই বাথরুমে দরজা লাগিয়ে গলায় ফাঁস দেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন জানান, স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ভিডিও কলে থাকা অবস্থায় কনস্টেবল হাবিবুর রহমান আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের (এসপি) সরকারি বাংলোতে দায়িত্ব পালনকালে হাবিবুর রহমান (৩৫)নামে এক পুলিশ কনস্টেবল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার বেলা ২টার সময় বাংলোর বাথরুমে সহকর্মীদের অজান্তে তিনি এ ঘটনা ঘটান।
নিহত হাবিবুর রহমানের বাড়ি নীলফামারী জেলা শহরের সরদার পাড়ায়। তার পিতার নাম মন্টু মিয়া। পারিবারিক জীবনে তাঁর ৮ বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। ঘটনার সময় তিনি স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনের ভিডিও কলে যুক্ত ছিলেন এবং লাইভে থাকা অবস্থাতেই বাথরুমে দরজা লাগিয়ে গলায় ফাঁস দেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন জানান, স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ভিডিও কলে থাকা অবস্থায় কনস্টেবল হাবিবুর রহমান আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন