দৈনিক লাল বার্তা

মাউশির পরিচালক হওয়ার দেড় মাস পরই ওএসডি



মাউশির পরিচালক হওয়ার দেড় মাস পরই ওএসডি

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক মো. হুমায়ূন কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। 

রোববার (৯ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহিনা পারভীন তাঁকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে ওএসডি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন।

প্রজ্ঞাপনে আগামী বৃহস্পতিবারের (১৩ আগস্ট) মধ্যে তাকে ঢাকায় যোগ দিতে বলা হয়েছে। তা না হলে সেদিন বিকেলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হয়েছেন বলে গণ্য করা হবে। একই প্রজ্ঞাপনে মাউশিতে ওএসডি থাকা বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুল আলমকে রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।


ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. হুমায়ূন কবীর মাউশির রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক হয়েছিলেন গত ২৫ জুন। এর দেড় মাসের মাথায় তাকে পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে ওএসডি করা হলো।

কারণ জানতে চাইলে মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘এটা তো আমি জানি না। এটা তো প্রশাসনিক ব্যাপার। পলিটিক্যাল ব্যাপার থাকতে পারে। কারও পছন্দ না হলে বদলি করাতে পারে।

তিনি বলেন, ‘এটা কোনো শাস্তিমূলক বদলি নয়। যখন পদ থাকে না, তখন তাদেরকে ওএসডি করা হয়। আমাকে রাজশাহীতে দেওয়ার মতো কোনো পদ নেই। তাই ওএসডি করেছে।

আওয়ামী লীগের আমলে সুবিধাভোগী হুমায়ূন কবীরকে নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছিল। পরে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। ওই মামলায় আদালত তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন ও এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ছয় মাস তিন দিন কারাগারে থাকার পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন।

ওই মামলায় আদালতে সাজা হওয়ায় ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বরখাস্ত ছিলেন মো. হুমায়ূন কবীর। পরবর্তীতে তিনি চাকরি ফিরে পান। ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক লাল বার্তা

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


মাউশির পরিচালক হওয়ার দেড় মাস পরই ওএসডি

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image



মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক মো. হুমায়ূন কবীরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। 


রোববার (৯ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহিনা পারভীন তাঁকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে ওএসডি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন।


প্রজ্ঞাপনে আগামী বৃহস্পতিবারের (১৩ আগস্ট) মধ্যে তাকে ঢাকায় যোগ দিতে বলা হয়েছে। তা না হলে সেদিন বিকেলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হয়েছেন বলে গণ্য করা হবে। একই প্রজ্ঞাপনে মাউশিতে ওএসডি থাকা বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুল আলমকে রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।


ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. হুমায়ূন কবীর মাউশির রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক হয়েছিলেন গত ২৫ জুন। এর দেড় মাসের মাথায় তাকে পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে ওএসডি করা হলো।


কারণ জানতে চাইলে মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘এটা তো আমি জানি না। এটা তো প্রশাসনিক ব্যাপার। পলিটিক্যাল ব্যাপার থাকতে পারে। কারও পছন্দ না হলে বদলি করাতে পারে।


তিনি বলেন, ‘এটা কোনো শাস্তিমূলক বদলি নয়। যখন পদ থাকে না, তখন তাদেরকে ওএসডি করা হয়। আমাকে রাজশাহীতে দেওয়ার মতো কোনো পদ নেই। তাই ওএসডি করেছে।


আওয়ামী লীগের আমলে সুবিধাভোগী হুমায়ূন কবীরকে নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছিল। পরে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। ওই মামলায় আদালত তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন ও এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ছয় মাস তিন দিন কারাগারে থাকার পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন।


ওই মামলায় আদালতে সাজা হওয়ায় ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বরখাস্ত ছিলেন মো. হুমায়ূন কবীর। পরবর্তীতে তিনি চাকরি ফিরে পান। ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ছিলেন।




দৈনিক লাল বার্তা

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা