সাব্বির মির্জা:
পথচারী কিংবা যানবাহনের চালক, ছাড় নেই কারও। পথ আটকে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা তুলছে বিশালাকৃতির হাতি। টাকা দিলে ভালো, না দিলেই বিপত্তি। আবার যে টাকা দেওয়া হচ্ছে তা হতে হবে হাতির মাহুতের ইচ্ছা অনুযায়ী।
দুপুরে তাড়াশ পৌর শহরের খুঁটিগাড়া মোড় ও উপজেলার বিভিন্ন সড়কের যানবাহন থামিয়ে এভাবেই চলছে চাঁদাবাজি। বাদ যাচ্ছে না দোকানপাট এমনকি সাধারণ মানুষও।
রবিবার (২৬ এপ্রিল ) দুপুর ২ টার সময় তাড়াশ পৌর শহর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লেগুনা, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল থামিয়ে চাঁদা আদায় করতে দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, শুঁড় তুলে টাকা নিচ্ছে হাতি। ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেয়া হচ্ছে।
তাড়াশ পৌর শহরের খুঁটিগাছা মোড় এলাকার ব্যবসায়ী হাবিব সরদার জানান, দুপুরে হঠাৎ দেখি দোকানের ভেতরে শুঁড় ঢুকিয়ে দিয়েছে এক হাতি। টাকা না দিলে হাতি দোকানের সামনে থেকে সরবে না। বাধ্য হয়ে ১০ টাকা দিয়েছি।
মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন শিক্ষক গোলাম রাব্বানী তিনি বলেন, হাতি শুঁড় তুলে আমার পথ আটকায়। কেবল আমাকেই নয়, গাড়ি থামিয়ে ১০ বা ২০ টাকা করে আদায় করছে। টাকা না দিলে গাড়ি ছাড়ে না।
হাতির পিঠে চড়ে বসে আছেন এক ব্যক্তি। স্থানীয় ভাষায় তাকে বলা হয় মাহুত। আসলে মাহুত হাতির দেখভাল করেন। নাম জানতে চাইলে মাহুত বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, সবাই খুশি হয়ে টাকা দেয়। আমরা জোরাজুরি করি না।
এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, এভাবে হাতি দিয়ে টাকা আদায়ের সুযোগ নেই। যারা এ কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো হাবিবুর রহমান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হাতি দিয়ে রাস্তায় কোনো চাঁদাবাজির সুযোগ নেই।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
সাব্বির মির্জা:
পথচারী কিংবা যানবাহনের চালক, ছাড় নেই কারও। পথ আটকে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা তুলছে বিশালাকৃতির হাতি। টাকা দিলে ভালো, না দিলেই বিপত্তি। আবার যে টাকা দেওয়া হচ্ছে তা হতে হবে হাতির মাহুতের ইচ্ছা অনুযায়ী।
দুপুরে তাড়াশ পৌর শহরের খুঁটিগাড়া মোড় ও উপজেলার বিভিন্ন সড়কের যানবাহন থামিয়ে এভাবেই চলছে চাঁদাবাজি। বাদ যাচ্ছে না দোকানপাট এমনকি সাধারণ মানুষও।
রবিবার (২৬ এপ্রিল ) দুপুর ২ টার সময় তাড়াশ পৌর শহর ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লেগুনা, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল থামিয়ে চাঁদা আদায় করতে দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, শুঁড় তুলে টাকা নিচ্ছে হাতি। ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেয়া হচ্ছে।
তাড়াশ পৌর শহরের খুঁটিগাছা মোড় এলাকার ব্যবসায়ী হাবিব সরদার জানান, দুপুরে হঠাৎ দেখি দোকানের ভেতরে শুঁড় ঢুকিয়ে দিয়েছে এক হাতি। টাকা না দিলে হাতি দোকানের সামনে থেকে সরবে না। বাধ্য হয়ে ১০ টাকা দিয়েছি।
মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন শিক্ষক গোলাম রাব্বানী তিনি বলেন, হাতি শুঁড় তুলে আমার পথ আটকায়। কেবল আমাকেই নয়, গাড়ি থামিয়ে ১০ বা ২০ টাকা করে আদায় করছে। টাকা না দিলে গাড়ি ছাড়ে না।
হাতির পিঠে চড়ে বসে আছেন এক ব্যক্তি। স্থানীয় ভাষায় তাকে বলা হয় মাহুত। আসলে মাহুত হাতির দেখভাল করেন। নাম জানতে চাইলে মাহুত বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, সবাই খুশি হয়ে টাকা দেয়। আমরা জোরাজুরি করি না।
এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, এভাবে হাতি দিয়ে টাকা আদায়ের সুযোগ নেই। যারা এ কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো হাবিবুর রহমান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হাতি দিয়ে রাস্তায় কোনো চাঁদাবাজির সুযোগ নেই।

আপনার মতামত লিখুন