রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা সদর ও পৌর এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে সৃষ্ট বিশাল আকৃতির খানাখন্দ আর কাদা-জলে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে জনচলাচলের পথ। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর এলাকার প্রধান সড়কগুলোর অধিকাংশেরই পিচ ঢালাই উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। বিশেষ করে বাস স্ট্যান্ড থেকে ধানগড়া সেন্টার পয়েন্ট পর্যন্ত চলমান মেরামত কাজের ধীরগতির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি এখন যানবাহন চলাচলের জন্য প্রায় অনুপযোগী।
পুরাতন চৌরাস্তা থেকে পল্লী বিদ্যুৎ মোড় পর্যন্ত রাস্তার পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অনেক গর্ত। বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে হাঁটু সমান কাদা, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পথচারীদের জন্য নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধানগড়া চৌরাস্তা থেকে পৌরসভার সম্মুখ হয়ে পল্লী বিদ্যুৎ মোড় পর্যন্ত জনবহুল এই পথটিতে নিয়মিত যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে । পৌর কবরস্থান থেকে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে যাওয়ার এই রাস্তাটির অবস্থাও এখন চলাচলের অযোগ্য।
নাগরিক ক্ষোভ ও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে পৌর এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তাগুলো দীর্ঘ দিন সংস্কারের অভাবে এমন ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে যে, ছোটখাটো খানাখন্দগুলো এখন বড় দুর্ঘটনায় রূপ নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা নিয়মিত ট্যাক্স বা পৌরকর প্রদান করছেন। কিন্তু বিনিময়ে যে সেবা পাওয়ার কথা, তা থেকে তারা পুরোপুরি বঞ্চিত।
ভুক্তভোগীদের মতে, ছোট ছোট খানাখন্দগুলো শুরুতে মেরামত করলে রাস্তাগুলো এতোটা বেহাল হতো না। স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন তারা। বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
রাস্তাগুলোর এমন জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। বিশেষ করে রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা উল্টে আহত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অবিলম্বে এই জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে টেকসই সংস্কার কাজের দাবি জানিয়েছেন পৌরবাসী।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনজীবন স্বাভাবিক করার প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা সদর ও পৌর এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে সৃষ্ট বিশাল আকৃতির খানাখন্দ আর কাদা-জলে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে জনচলাচলের পথ। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করেও কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর এলাকার প্রধান সড়কগুলোর অধিকাংশেরই পিচ ঢালাই উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। বিশেষ করে বাস স্ট্যান্ড থেকে ধানগড়া সেন্টার পয়েন্ট পর্যন্ত চলমান মেরামত কাজের ধীরগতির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি এখন যানবাহন চলাচলের জন্য প্রায় অনুপযোগী।
পুরাতন চৌরাস্তা থেকে পল্লী বিদ্যুৎ মোড় পর্যন্ত রাস্তার পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অনেক গর্ত। বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে হাঁটু সমান কাদা, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পথচারীদের জন্য নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধানগড়া চৌরাস্তা থেকে পৌরসভার সম্মুখ হয়ে পল্লী বিদ্যুৎ মোড় পর্যন্ত জনবহুল এই পথটিতে নিয়মিত যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে । পৌর কবরস্থান থেকে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে যাওয়ার এই রাস্তাটির অবস্থাও এখন চলাচলের অযোগ্য।
নাগরিক ক্ষোভ ও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে পৌর এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তাগুলো দীর্ঘ দিন সংস্কারের অভাবে এমন ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে যে, ছোটখাটো খানাখন্দগুলো এখন বড় দুর্ঘটনায় রূপ নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা নিয়মিত ট্যাক্স বা পৌরকর প্রদান করছেন। কিন্তু বিনিময়ে যে সেবা পাওয়ার কথা, তা থেকে তারা পুরোপুরি বঞ্চিত।
ভুক্তভোগীদের মতে, ছোট ছোট খানাখন্দগুলো শুরুতে মেরামত করলে রাস্তাগুলো এতোটা বেহাল হতো না। স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন তারা। বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
রাস্তাগুলোর এমন জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। বিশেষ করে রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা উল্টে আহত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অবিলম্বে এই জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে টেকসই সংস্কার কাজের দাবি জানিয়েছেন পৌরবাসী।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনজীবন স্বাভাবিক করার প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন