রেজিস্ট্রার জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) ড. আবু নছর মোহম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, প্রতিটি শিশুর জন্ম সনদ তার রাষ্ট্রীয় পরিচয় বহন করে। বস্তি, ছিন্নমুল ও যৌনপল্লীতে বেড়ে উঠাদের শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে, পাচারসহ বিভিন্ন ঝুঁকিতে থাকা শিশুকে সুরক্ষার দিতে জন্ম নিবন্ধন তাদের সুন্দর জীবনের প্রাপ্তি বয়ে আনবে।
দ্যা ফ্রিডম ফান্ডের সহযোগীতায় ও স্থানীয় শাপলা মহিলা সংস্থার আয়োজেন শনিবার সকাল ১০টায় ফরিদপুর পৌরসভার হলরুমে শোষণের ঝুাকিতে থাকা শিশুদের জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও নিশ্চিতকরণ বিষয়ক কর্র্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, সুবধিাবঞ্চিত বহু শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের আবেদন জমেছিল। যৌন পল্লীতে পিতৃপরিচয়হীন শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের কাজ করা জটিল ছিল। কিন্তু ঐ সকল শিশু নিরাপদ ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এসব ক্ষেত্রে শিশুর মায়ের নাম ও মর্যাদাপূর্র্ন এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করে তাদের জন্ম সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া সহজীকরণ করার হয়েছে। যার আলোকে আজ ফরিদপুরে ৪০ জন শিশুর জন্ম সনদ প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। পরিচয় বহনের ক্ষেত্রে একটি শিশুর জন্মের পর জন্ম সনদ তার অধিকার। আর এর মাধ্যমে শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্র্মসূচী এবং সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার সেক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পায়। নইলে ওই শিশুগুলো তাদের পরিচয়হীনতার যন্তনায় বিপদগামী জনগোষ্ঠিতে পরিণত হতে পারে। তাই সকলের সহযোগীতায় একই মহৎ কাজটি করা সম্ভব।
শাপলা মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক চঞ্চলা মন্ডলের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন জেলার স্থানীয় সরকারে উপপরিচালক মো: ইলিয়াছুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্র্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া।
কর্মশালায় জানানো হয়, এরই অংশ হিসেবে ফরিদপুরের দুটি যৌন পল্লীতে জন্ম প্রথম পযায়ে ৪৬টি শিশুর জন্ম নিবন্ধন করা হয়। পরবর্তিতে আরও ১০ জনের জন্ম নিবন্ধন করা হয়। এছাড়া আরও আটটি শিশু জন্ম নিবন্ধন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রান্তিক নারী ও শিশুদের আইনি পরিচয় নিশ্চিতকরণে চলমান কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করা, মাঠপর্যায়ের বিদ্যমান ও উদ্ভূত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের অংশগ্রহণ, দায়িত্ববোধ ও সার্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
এক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন পেতে প্রশিক্ষন, পরামর্র্শসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় সবসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরে অতিথিরা সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও নারীদের হাতে তাদের জন্মসনদ তুলে দেন।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
রেজিস্ট্রার জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) ড. আবু নছর মোহম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, প্রতিটি শিশুর জন্ম সনদ তার রাষ্ট্রীয় পরিচয় বহন করে। বস্তি, ছিন্নমুল ও যৌনপল্লীতে বেড়ে উঠাদের শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে, পাচারসহ বিভিন্ন ঝুঁকিতে থাকা শিশুকে সুরক্ষার দিতে জন্ম নিবন্ধন তাদের সুন্দর জীবনের প্রাপ্তি বয়ে আনবে।
দ্যা ফ্রিডম ফান্ডের সহযোগীতায় ও স্থানীয় শাপলা মহিলা সংস্থার আয়োজেন শনিবার সকাল ১০টায় ফরিদপুর পৌরসভার হলরুমে শোষণের ঝুাকিতে থাকা শিশুদের জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও নিশ্চিতকরণ বিষয়ক কর্র্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, সুবধিাবঞ্চিত বহু শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের আবেদন জমেছিল। যৌন পল্লীতে পিতৃপরিচয়হীন শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের কাজ করা জটিল ছিল। কিন্তু ঐ সকল শিশু নিরাপদ ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এসব ক্ষেত্রে শিশুর মায়ের নাম ও মর্যাদাপূর্র্ন এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করে তাদের জন্ম সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া সহজীকরণ করার হয়েছে। যার আলোকে আজ ফরিদপুরে ৪০ জন শিশুর জন্ম সনদ প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। পরিচয় বহনের ক্ষেত্রে একটি শিশুর জন্মের পর জন্ম সনদ তার অধিকার। আর এর মাধ্যমে শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্র্মসূচী এবং সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার সেক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পায়। নইলে ওই শিশুগুলো তাদের পরিচয়হীনতার যন্তনায় বিপদগামী জনগোষ্ঠিতে পরিণত হতে পারে। তাই সকলের সহযোগীতায় একই মহৎ কাজটি করা সম্ভব।
শাপলা মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক চঞ্চলা মন্ডলের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন জেলার স্থানীয় সরকারে উপপরিচালক মো: ইলিয়াছুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্র্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া।
কর্মশালায় জানানো হয়, এরই অংশ হিসেবে ফরিদপুরের দুটি যৌন পল্লীতে জন্ম প্রথম পযায়ে ৪৬টি শিশুর জন্ম নিবন্ধন করা হয়। পরবর্তিতে আরও ১০ জনের জন্ম নিবন্ধন করা হয়। এছাড়া আরও আটটি শিশু জন্ম নিবন্ধন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রান্তিক নারী ও শিশুদের আইনি পরিচয় নিশ্চিতকরণে চলমান কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করা, মাঠপর্যায়ের বিদ্যমান ও উদ্ভূত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের অংশগ্রহণ, দায়িত্ববোধ ও সার্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
এক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন পেতে প্রশিক্ষন, পরামর্র্শসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় সবসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরে অতিথিরা সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও নারীদের হাতে তাদের জন্মসনদ তুলে দেন।

আপনার মতামত লিখুন