সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার শ্যামনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধ হয়ে থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ তলিয়ে যাওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে বৃষ্টির পানি জমে একাকার। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান কাদা ও পানি। এতে করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাদা-পানি মাড়িয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণ। দীর্ঘস্থায়ী এই জলাবদ্ধতার কারণে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে।
মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুসনেয়ারা খাতুন বলেন, “মাঠটি নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। দীর্ঘ সময় পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মাঠে নামতে পারে না। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি এবং দ্রুত সমাধানের প্রত্যাশা করছি।”
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই চিত্র দেখা গেলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আজও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে পানি নিষ্কাশন হতে পারে না, ফলে মাঠটি জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। এতে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. বেলাল হোসেন বলেন, “শ্যামনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি। সমস্যা সমাধানে মাটি ভরাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরির প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং দ্রুত করণীয় নির্ধারণে উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা দ্রুত বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটসহ আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বছরের পর বছর জলাবদ্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা ও সুস্থ বিকাশ ব্যাহত হয়। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও আনন্দময় শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার শ্যামনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধ হয়ে থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ তলিয়ে যাওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে বৃষ্টির পানি জমে একাকার। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান কাদা ও পানি। এতে করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাদা-পানি মাড়িয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণ। দীর্ঘস্থায়ী এই জলাবদ্ধতার কারণে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ এখন হুমকির মুখে।
মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুসনেয়ারা খাতুন বলেন, “মাঠটি নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। দীর্ঘ সময় পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মাঠে নামতে পারে না। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি এবং দ্রুত সমাধানের প্রত্যাশা করছি।”
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই চিত্র দেখা গেলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আজও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে পানি নিষ্কাশন হতে পারে না, ফলে মাঠটি জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। এতে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. বেলাল হোসেন বলেন, “শ্যামনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি। সমস্যা সমাধানে মাটি ভরাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরির প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং দ্রুত করণীয় নির্ধারণে উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা দ্রুত বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটসহ আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বছরের পর বছর জলাবদ্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা ও সুস্থ বিকাশ ব্যাহত হয়। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও আনন্দময় শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।

আপনার মতামত লিখুন