সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে উপজেলার পৃথক তিনটি স্থানে বজ্রাঘাতে তিনটি গবাদিপশুও মারা গেছে। শুক্রবার (৬ জুন) দুপুরে বৃষ্টি ও বজ্রসহ আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী কলুনি পাড়া গ্রামের বাসিন্দা লুৎফার শেখের ছেলে আব্দুল হাকিম (৩০) দুপুরে বৃষ্টির সময় বাড়ির বাইরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় হঠাৎ তীব্র বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার উদ্যোগ নিলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
হাকিমের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা জানান, হাকিম একজন পরিশ্রমী যুবক ছিলেন এবং পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যদের একজন। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
অন্যদিকে একই সময়ে ভুরুলিয়া ইউনিয়নের তেঘরিয়া গ্রামে বজ্রপাতে একটি গরু মারা যায়। এছাড়া নূরনগর ইউনিয়নের হরিনাগাড়ী এলাকায় বজ্রাঘাতে আরও দুটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। গবাদিপশুর মালিকরা জানান, বৃষ্টির সময় খোলা স্থানে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতের শিকার হয়ে পশুগুলো মারা যায়। এতে তাদের কয়েক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে শ্যামনগর উপকূলীয় অঞ্চলে বজ্রপাতের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমের শুরুতে হঠাৎ বজ্রঝড় ও বজ্রপাত জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তারা বজ্রপাত থেকে প্রাণ ও সম্পদ রক্ষায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয়, গাছের নিচে বা উঁচু স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন। বজ্রঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত আব্দুল হাকিমের পরিবারের সদস্যরা সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা কামনা করেছেন।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে উপজেলার পৃথক তিনটি স্থানে বজ্রাঘাতে তিনটি গবাদিপশুও মারা গেছে। শুক্রবার (৬ জুন) দুপুরে বৃষ্টি ও বজ্রসহ আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী কলুনি পাড়া গ্রামের বাসিন্দা লুৎফার শেখের ছেলে আব্দুল হাকিম (৩০) দুপুরে বৃষ্টির সময় বাড়ির বাইরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় হঠাৎ তীব্র বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার উদ্যোগ নিলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
হাকিমের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা জানান, হাকিম একজন পরিশ্রমী যুবক ছিলেন এবং পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যদের একজন। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
অন্যদিকে একই সময়ে ভুরুলিয়া ইউনিয়নের তেঘরিয়া গ্রামে বজ্রপাতে একটি গরু মারা যায়। এছাড়া নূরনগর ইউনিয়নের হরিনাগাড়ী এলাকায় বজ্রাঘাতে আরও দুটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। গবাদিপশুর মালিকরা জানান, বৃষ্টির সময় খোলা স্থানে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতের শিকার হয়ে পশুগুলো মারা যায়। এতে তাদের কয়েক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে শ্যামনগর উপকূলীয় অঞ্চলে বজ্রপাতের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমের শুরুতে হঠাৎ বজ্রঝড় ও বজ্রপাত জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তারা বজ্রপাত থেকে প্রাণ ও সম্পদ রক্ষায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয়, গাছের নিচে বা উঁচু স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন। বজ্রঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত আব্দুল হাকিমের পরিবারের সদস্যরা সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন