প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
চলনবিল অঞ্চলের দিন দিন বাড়ছে ক্ষিরার আবাদ, প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
রিংকু কুন্ডু।।বৃহত্তর চলনবিল অঞ্চলের তাড়াশে ধান, ভুট্টা ও সরিষার পাশাপাশি এবার ক্ষিরা ফলন বেশ ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় প্রতি বিঘায় ফলন হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ মণ। এসব ক্ষিরা প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ৮শ থেকে হাজার টাকায়। আর কেনাবেচার জন্য সিরাজগঞ্জের তাড়াশের দিঘরিয়ায় প্রতিদিন বসছে হাট। যেখানে প্রতিদিন কেনাবেচা হচ্ছে অন্তত অর্ধ কোটি টাকা। ক্ষিরার ফলন বাড়াতে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়ার কথা বলছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।চলনবিল অঞ্চলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ধান, সরিষাসহ অন্যান্য ফসলের ফলন হওয়ার পাশাপাশি এবার ক্ষিরার উৎপাদন বেশ ভালো হয়েছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় কৃষকেরা প্রতি বিঘায় ফলন পাচ্ছেন ৭০ থেকে ৮০ মণ।তাড়াশের কৃষক বাবুল মিয়া বলেন, গত বছর দাম ভালো পাওয়ার এবার জেলায় ৮শ ৫০ হেক্টট জমিতে ক্ষিরার চাষ হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম সময়ে ফসল বিক্রি করতে পারার পাশাপাশি ভালো লাভ হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এর আবাদ। এখানকার উৎপাদিত ক্ষিরা কেনাবেচার জন্য তাড়াশ উপজেলার দিঘরিয়ায় প্রতিদিন এই হাট বসে। এবছর বেচাবিক্রি বেশ ভালো বলে জানান তিনি। গাজীপুর থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী আলী আশরাফ বলেন, এখানকার উৎপাদিত ক্ষীরার চাহিদা বেশ ভালো। তাই ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আসছেন এই হাটে। প্রতি হাটে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষিরা বিক্রি হয়। চলনবিল অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এখানকার উৎপাদিত ক্ষিরার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেনগুপ্তা জানান, সঠিকভাবে মাঠ পরিচর্যার মাধ্যমে ক্ষিরার ফনল বাড়াতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সেই সাথে রোগবালায় নিয়ন্ত্রণেও তাদেরকে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সহায়তা করা হচ্ছে। এবার সিরাজগঞ্জ জেলায় ১৫ হাজার ৫শ ৩০ টন ক্ষিরা ও শসার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে করেছে কৃষি বিভাগ।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা