প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
গোদাগাড়িতে এসআই জুয়েল এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া, সমালোচনার ঝড়
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল-এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এদিকে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ব্যতিত কর্মরত একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একের পর এক মনগড়া অপপ্রচার নিয়ে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে,উঠেছে সমালোচনার ঝড়।স্থানীয় সুত্র জানায়, গত ১০ এপ্রিল ভাটোপাড়া এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ আলিয়ারা বেগম নামে এক নারীকে আটক করা হয়। পরে ওই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয় (জিআর নং-১০৯)। উদ্ধারকৃত ১০ গ্রাম হেরোইন ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।স্থানীয়রা জানায়, উদ্ধারকৃত হেরোইনের তদন্তকারী কর্মকর্তা অন্য একজন এসআই। অথচ এই মামলায় হেরোইন আত্মসাথের ঘটনা দেখিয়ে এসআই জুয়েলকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাহলে তিনি উদ্ধারকৃত হেরোইন আত্বসাৎ করেন কিভাবে ? এতে প্রমাণ হয় এটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এছাড়াও বিচার প্রার্থীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের কথা ছড়ানো হচ্ছে। তবে এবিষয়ে কেউ কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এটা মনগড়া অপপ্রচার।এছাড়াও জমির টপসয়েল বা ওপরিভাগের মাটি কাটার সিন্ডিকেট থেকেও নিয়মিত মাসোহারা আদায় এবং উপজেলার সাফিনা পার্ক কেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকেও নিয়মিত অর্থ আদায়ের কথা বলা হয়েছে। অথচ জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি বা টপসয়েল কাটার বিষয়টি দেখভাল করেন উপজেলা প্রশাসন। এখানে এস আই এর টাকা নেয়ার সুযোগ কোথায়। এবিষয়ে কারওকোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। এটাও মনগড়া ও ভিত্তিহীন।তার বিরুদ্ধে উপজেলার সাফিনা পার্ক কেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকেও নিয়মিত অর্থ আদায় এরঅপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে সাফিনা পার্ক কর্তৃপক্ষের কোনো সুত্র এমন অভিযোগের কোনো সত্যতা জানাতে পারেনি। এটাও মিথ্যা ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বানোয়াট। এমনকি বিভিন্ন মামলার বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে আপোষ-মীমাংসার কথা বলে থানায় ডেকে এনে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় এর দুর্নাম রটানো হচ্ছে। অনুসন্ধানে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এই সমস্ত অপপ্রচার মিথ্যা ও মনগড়া বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।স্থানীয়রা আরো জানান,গত ৩মে রোববার বিকাল আনুমানিক ৫ টার দিকে সাদা পোশাকে এসআই জুয়েল রানা ও এএসআই মজনু মিয়া পৌরসভার বেলতলা মহল্লায় তার শ্বশুর বাবুল আখতারের বাড়িতে যান। এসময় তারা বাবুল আখতারকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করে জাতীয় পরিচয়পত্র দাবি করেন। এনআইডি না দিলে তারা মোবাইলে ছবি তোলেন এবং জরুরি ভিত্তিতে থানায় গিয়ে ওসির সঙ্গে দেখা করতে বলেন। এখন প্রশ্ন হলো,যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হলে পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করতে তার বাড়িতে যাবে এবং তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের চেস্টা করার পাশাপাশি থানায় ডাকতে পারেন। দারোগা জুয়েল সেটাই করেছে এখানে তার দোষ কোথায়? এছাড়াও তিনি যথারীতি থানায় জিডি(নোট) দিয়ে গেছেন। এতেই প্রমান হয় অপরাধ আড়াল করতেই তারা দারোগার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করেছে। আবার বলা হচ্ছে, বাবুল আখতার একজন শ্রমজীবী মানুষ। তিনি ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিক সরবরাহের ঠিকাদারি করেন। তবে স্থানীয়রা বলছে,বাবুল আখতার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। এতেই প্রমাণ হয় তারা নিজেদের অপরাধ আড়াল করতেই দারোগার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনছেন ।এবিষয়ে জানতে চাইলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল বলেন, তাকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি বলেন, তাকে জড়িয়ে যেসকল রটনা রটানো হচ্ছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা