প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ফরিদপুরে সারের ডিলারশীপ নিয়ে ফেসবুক এ তোলপাড়।
নাজিম বকাউল , ফরিদপুর ||
ফরিদপুরের ৯টি উপজেলার বিএনপির নেতা কর্মিদের ক্ষোভ, সাম্প্রতিক ফরিদপুর জেলায় নতুর করে কৃষকদের সঠিক সময় নিয়মিত ভাবে সার সরবরাহ করতে পারে এ জন্য সরকার সারের ডিলারশীপের জন্য নতুন ভাবে আবেদন করিয়ছে। এই আবেদন বেশি ভাগ ত্যাগি ও বিভিন্ন হামলা মামলায় নির্যাতনের শিকার তাদের পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফেসবুক এ অনেক নেতা কর্মিরা লিখেছেন যারা নিয়মিত সংগঠনের সাথে জড়িত না ঐ ধরনের ব্যাক্তিরা সারের ডিলারশীপ পেয়েছে এবং কারো কারো নিকট থেকে ১০/১৫ লক্ষ করে টাকা নিয়ে সারের ডিলারশীপের লাইসেন্স দিয়েছে, নিয়ন্ত্রাতিক ভাবে সারের লাইসেন্স দেওয়া হয়নি এনিয়ে নাগরকান্দা উপজেলাার বিএনপির কর্মিরা সার কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে সংবাদ সংম্মেলনও প্রতিবাদকরেছে। তবে প্রশাসন ও সার কমিটির সদস্যরা এ প্রতিবাদ কে কোন অদৃশ্য ক্ষমতা বলে গুরুত্ব দিচ্ছেনা বলেও প্রতিবাদ কারিরা জানান।ফরিদপুর সদর থেকে বিএনপির এক ত্যাগি নেতা নান্টু খান তার ফেসবুক এ পোস্ট করেছেন,আমার সারের লাইসেন্স লাগবেনা,বিএডিসিরকট্রাক্ট গুডাউনসের বীজ প্রক্রিয়া জাতকরন কেন্দ্রের ডিলারশীপ চাই। বিএনপির এক সদস্য এবং আলীয়াবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা তিনি তার ফেসবুক এ ২৫ শে সেপ্টেম্বর লিখেছেন,এদিকে অর্থের বিনিময়ে সার ডিলার নিয়োগের পায়তারা অন্যদিকে দেশবিদেশ থেকে বিএনপির নামধারী টাকা ওয়ালারা তাদের আত্মীয়স্বজন দের জন্য মোবাইল তদবির। এমন সময় গেছে যখন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পুর্নাঙ্গ কমিটি করবো সেই মানুষ পাইনি।অথচ এখন চার পাশে শুধু বিএনপি। এরকম শতাধিক নেতা কর্মিরা ফেসবুক এ লিখে প্রতিবাদ করে কথা বলেছে।তবে সার ডিলারের বিষয়ে জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত বড় কোন নেতারা মন্তব্য করতে চাইছেন না। একটি সূত্রে জানা যায় সার ডিলারের বিষয়ে কে পাবে কে পাবেনা তার একটি কমিটি করা হয়,ঐ কমিটির সভাপতি হচ্ছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদস্য সচিব হলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তারাই যাচাইবাছাই করে সারের লাইসেন্স দিয়েছে। যদি টাকা বিনিময়ে সারের লাইসেন্স দিয়ে থাকে সেক্ষেত্রে এর যাবতীয় দায়দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার।এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান,সারের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কারো নিকট থেকে কোন টাকা পয়সা নেওয়া হয়নি,তিনি আরো বলেন যারা লাইসেন্স পায় নাই তারা তো বলবেই আমার টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স দিয়েছে,যারা এধরনের অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা কর্মিরা ও সাধারণ তৃণমূলের জনগন বলেন যাহা রটে তাহা কিছু বটে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা