প্রিন্ট এর তারিখ : ২১ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
যমুনার ভাঙনে সিরাজগঞ্জের বাহুকা গ্রাম আতঙ্কিত: বাঁধের ৪০ মিটার ধস
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের ফলে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বাড়তে শুরু করেছে। পানির তীব্র চাপে সদর উপজেলার বাহুকা গ্রামে যমুনা নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৪০ মিটার এলাকা আকস্মিক ধসে ও দেবে গেছে। এতে নদী তীরবর্তী গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু বাহুকা গ্রামই নয়, ভাটপিয়ারী এলাকাতেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে অনেক পরিবার তাদের বসতবাড়ি ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। এছাড়া জেলার চৌহালী উপজেলার চর সলিমাবাদ এলাকায়ও নদী ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ভাঙনে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ফসলি জমি, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, যমুনা নদীর পানি উঠানামা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানি ৪ সেন্টিমিটার কমেছে এবং এটি বর্তমানে বিপদসীমার ২৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসাইন জানিয়েছেন, নদী ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। ইতোমধ্যে ভাঙনকবলিত বাহুকা ও অন্যান্য এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগভর্তি বালুর বস্তা ফেলা শুরু হয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, "আমি নিজে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙন রোধে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।"স্থানীয়রা দাবি জানিয়েছেন, নদীর পানি কমার সাথে সাথে ভাঙনের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। তাই স্থায়ী সমাধানের জন্য বালুর বস্তার পাশাপাশি ব্লক বা শক্তিশালী প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: জাকিরুল ইসলাম সান্টু
সম্পাদক ও প্রকাশক: এইচ এম মোনায়েম খান
বার্তা সম্পাদক: গোলাম মোস্তফা রুবেল
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক লাল বার্তা