সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘হাজী ওয়াহেদ-মরিয়ম কলেজ’ সরকারিকরণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সাম্প্রতিক এক অফিস আদেশে কলেজটিকে সরকারি করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত এই খবরে পুরো উপজেলায় আনন্দের বন্যা বইছে।
গত ৭ জুন ২০২৬ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা অফিস আদেশে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার আলোকে হাজী ওয়াহেদ-মরিয়ম কলেজকে সরকারিকরণের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি পাওয়া গেছে। এই আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সরকারি হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াটি একটি শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাল।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সরকারিকরণের পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে: প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রাখা। স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ। কলেজ প্রাঙ্গণ সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল। প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে কি না, তার আইনগত মতামতসহ বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও এলাকাবাসীর মতে, কলেজটির এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি মোঃ আয়নুল হক। কলেজটিকে সরকারিকরণের দাবিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জোরালো তদবির ও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছিলেন। তার এই নিরলস প্রচেষ্টা ও আন্তরিক উদ্যোগের ফলেই কলেজটি আজ সরকারিকরণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
কলেজটি সরকারিকরণের খবরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয়রা জানান, ভিপি আয়নুল হক সবসময়ই রায়গঞ্জ এলাকার শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার এই ইতিবাচক ফল এলাকা উন্নয়নের পথে একটি বড় মাইলফলক।
শিক্ষকরা মনে করছেন, কলেজটি সরকারি হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এতে রায়গঞ্জের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে।
রায়গঞ্জ উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে হাজী ওয়াহেদ-মরিয়ম কলেজ দীর্ঘদিন ধরে সুনাম বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এলাকাবাসী দ্রুত সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে দ্রুত কলেজটির পূর্ণাঙ্গ সরকারি কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘হাজী ওয়াহেদ-মরিয়ম কলেজ’ সরকারিকরণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সাম্প্রতিক এক অফিস আদেশে কলেজটিকে সরকারি করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত এই খবরে পুরো উপজেলায় আনন্দের বন্যা বইছে।
গত ৭ জুন ২০২৬ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা অফিস আদেশে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার আলোকে হাজী ওয়াহেদ-মরিয়ম কলেজকে সরকারিকরণের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতি পাওয়া গেছে। এই আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সরকারি হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াটি একটি শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাল।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সরকারিকরণের পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে: প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রাখা। স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ। কলেজ প্রাঙ্গণ সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল। প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে কি না, তার আইনগত মতামতসহ বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও এলাকাবাসীর মতে, কলেজটির এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি মোঃ আয়নুল হক। কলেজটিকে সরকারিকরণের দাবিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জোরালো তদবির ও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছিলেন। তার এই নিরলস প্রচেষ্টা ও আন্তরিক উদ্যোগের ফলেই কলেজটি আজ সরকারিকরণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
কলেজটি সরকারিকরণের খবরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয়রা জানান, ভিপি আয়নুল হক সবসময়ই রায়গঞ্জ এলাকার শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার এই ইতিবাচক ফল এলাকা উন্নয়নের পথে একটি বড় মাইলফলক।
শিক্ষকরা মনে করছেন, কলেজটি সরকারি হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এতে রায়গঞ্জের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে।
রায়গঞ্জ উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে হাজী ওয়াহেদ-মরিয়ম কলেজ দীর্ঘদিন ধরে সুনাম বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এলাকাবাসী দ্রুত সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে দ্রুত কলেজটির পূর্ণাঙ্গ সরকারি কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন